আত্মহত্যা নিয়ে কিছু কথা এবং বিস্তারিত জেনে নিন………

আত্মহত্যা এমন এক সামাজিক ব্যধি যা যুব সমাজের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে । একজন মানুষ অনেক কঠিন চাপের মধ্যে যখন পড়ে যায় তখন সে দিশেহারা হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে ছেলেদের থেকে মেয়েরা ৩ গুন বেশি আত্মহত্যা করে মানে প্রবণতা বেশি। বিশ্বে ইসলাম ধর্মে আত্মহত্যার হার কম। তরুণদের আত্মহত্যার হার বেশি। যার মুল কারণ সোশাল মিডিয়া।

যে যে কারণে আত্মহত্যা হতে পারে।

প্রধানত দুইটি কারণে আত্মহত্যা হতে পারে

  • সোশাল মিডিয়া (তরুণ)
  • অসুস্থতা (সকল রোগী)।

সোশাল মিডিয়া

সোশাল মিডিয়ার যা ঘটে- । উদাহরণ সরূপ – ধরুন ফেসবুকে আমার একটা মেয়ের সাথে রিলেশন শিপ হলো। এখন আমার মা-বাবা মেনে নিতে চাচ্ছেন না। আমি ক করব? আমি যখন মেয়েটাকে এটা বলব তখন সে। মেনে নিতে পারবে না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ছেলেদের তুলনায় এই ক্ষেত্রে মেয়েরা বেশি আত্মহত্যা করে। বিষয়টা পানির মতো ক্লিয়ার। ছেলেদের আত্মহত্যার প্রবণতা কমার কিছু কারণ আছে – যেমন ধরুন- আমি ও আমার গার্লফ্রেন্ড প্রেম করেছি আমার মা-বা মানিতেছেনা – আমি তাকে বলতেছি চল যাই দুই জনে একসাথে আত্মহত্যা করি। মেয়েটি আবেগের বসে আত্মহত্যা করে বসে। এটা দেখে আমি ভয় পাই বা অন্য কেউ দেখে ফেলল এতে আমি বেঁচে গেলাম। এই ভাবে ছেলেরা আত্মহত্যা থেকে ছেলেরা বেঁচে যায়।

রোগে এই সমস্যা

এতক্ষণ যেগুলো বললাম,
সেগুলো হলো সামাজিক বা পারিবারিক বা
ব্যক্তিগত বিষয়। অসুখের কারণে অনেক সময়
আত্মহত্যা করে। যেমন : বিষণ্ণতা একটি
রোগ। মানুষ বুঝবে কীভাবে? সব কিছুর
মধ্যে ‘না’। খেতে ভালো লাগে না, চলতে
ভালো লাগে না। হাঁটতে ভালো লাগে না।
ঘুমাতে ভালো লাগে না। ভেতর থেকে
কোনো কিছুই সে ইতিবাচকভাবে নিতে পারে
না। এদের যদি চিকিৎসা না হয়, তাহলে তারা
আত্মহত্যা করতে পারে। বিষণ্ণতা
ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মধ্যে
চারগুণ বেশি।
আর আরেকটি হলো সিজোফ্রেনিয়া। এই
রোগীরা আত্মহত্যা করতে পারে।
সিজোফ্রেনিয়া একটি গুরুতর মানসিক ব্যাধি।
একে আমরা সাহিত্যের ভাষায় বলতে পারি
মনের ক্যানসার।
সিজোফ্যানিক রোগীরা দেখা যায় রাস্তাঘাটে
থাকে। বট গাছের নিচে থাকে, ময়লা কাপড়
পড়ে, হাতের নখ বড় থাকে। বিড় বিড় করে
কথা বলে। এদের ঠিক মতো চিকিৎসা করলে তাকে সুস্থ জীবন দেওয়া সম্ভব।

Share This:

Eftekhar naeem

জীবনে উন্নতি করতে শিক্ষার কোন শেষ নাই।
Close Menu

Content

Share This: