একটা সাহায্যর হাত চাই

যখনই রিতার পুতুলটা দেখতাম ইচ্ছে করতো ওরে ইচ্ছে মতো মেরে পুতুলটা ছিনিয়ে নেই কিন্তু মা মারবে আমাকে রিতা আমার ছোট ওর বয়স ১২ আমারা দুজোন একটু পর পর মারামারি করি রিতা কিন্তু আমার ছোট বোন হাহাহাহাহা। ভেবেছিলেন পাশের বাড়ির কেউ নানা। তবে একটা কথা রিতা আম্মু আমার আম্মুই আমার আম্মু যখন চলে গেল রিতার আম্মুই আমার আম্মু হলো। বাবা কাজ এ সারাদিন কাটায় আগে রাতে বাসায় ফিরলের হাত মুঠু ভরে চকলেট। আর এখন রিতা আপুর জন্য চকলেট আমে কারন ্আম্মু বলে তাই, আমার কথা বাবা প্রায়ই ভুলে গেল বাবাকে না জানিয়ে আমাকে পাশের বাড়ির আন্টির বাসায় কাজে দিয়ে দিল। আমি খুশিই হলাম ছোট বেলায় পাশের বাড়ির আন্টি আমাকে খুব আদর করতো এখন ও তাই করবে। কিন্তু পাশের বাড়ির আন্টি আমার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করলো। উনার ছেলের ফিটার এ ময়লা লেগে ছিল তাই একটা থাপ্পর দিল। আম্মু বলতো যারা আদর করে তাদের মারার অধিকার ও আছে তাই থাপ্পর খেয়ে হিহি করে ফিটার ধুয়ে নিয়ে আসলাম। হঠাৎ জ্বর অনেক জ্বর টাইফয়েড হয়ে গেল। টাকা লাগবে তাই আনটি আমাকে বিদেশ করে কোথায় যেন পাঠালো। অনেক মেয়ে সেখানে বড় ছোট। আর ছেলেরা চলেই আসে যখন তখন, কাজ করতে হয় না কি আরাম আমাকে যথেস্ট সেবা করে মনে মনে এত্ত খুশি আন্টিটান জন্য দোয়া করি শুধু। এভাবেই কেটে গেল ৩ বছর এর মাঝে যা ঘটল। একটা বাড়িতে কাজ করতে চলে গেলাম। আমাকে তারা পাঠালো। ও বাসার আন্টির ছেলেরা খুব খারাপ আমার সাথে অস্বাভাবিক আচরন করতো। আর ও বাসার আন্টির মেয়ে যখন কলেজ যাওয়ার আগে ডক্টর ড্রেস পড়লো। আমার মনে পড়লো।আম্মুকে বলেছিলাম আমি ডক্টর হবো। আম্মু বলেছিল আচ্ছা। এবাবেই কাটছিল ৩ বছর এখন খারাপ কাজ করতে হয়। বড় হয়েছি তাই। বাবা আর নতুন আম্মু ফোন ও করেনা। একদিন অনেক কস্টে রিতা কে ফোন দিলাম। রিতা ফোন ধরে বললো আপু তুই কই অনেক মনে পরে তোকে আমি কান্না করে দিলাম। অনেক অনেক কান্না করলাম। রিতা কে বললাম আমি জানিনা কিভাবে বের হবো এখান থেকে। রিতা বলল তুই চিন্তা করবি না আপু আমি তোকে বের করবো আর কয়েকটা দিন কস্ট কর। ফোনটা কেটে গেল। অবাক হয়ে ১ ঘন্টা বসে ভাবলাম শুধুই রিতা আমাকে এত ভালোবাসে আমি তো জানতাম না। কয়েকদিন কেটে গেল আশার আলো আমার ছোট বোন। জিবনে কাউর সাহায্য ছাড়া আগে বাড়া যায় না। যদি একজন ও পাশে থাকে জিবনটা পরির্বতন করা সম্ভব হ্যা সোত্যি সম্ভব। একদিন রাতে হঠাৎ আমার পাশের রুমের জোতি বলল তোমাকে দেখতে কে যেন এসেছে বাইরে সে আমি দৌড়ে বাইরে গিয়ে দেখলাম রিতা।
রিহা:রিতা,,,,,,,, ত,,,ই এ,,খা,,নে
রিতা:কথা বলিস না আপি চল চল পালা এক্ষুনি
দৌড়ে অনেক দুর পালালাম।
এখন বল রিতা কিভাবে কি।
রিতা:অনেক খুজেছি তোকে আপু শেষে পাশের বাড়ির আন্টি কে দরলাম তুই কই সেটা জানতে। আন্টি বলল মা তোকে খারাপ কাজ এ পাঠিয়েছে আমার মন কিছুতেই মানছিল না। আর সেদিন তোর কন্ঠ শুনে তো আমি আর পাছিলাম না তাই বাসা ছেড়ে চলে যাই আর বলি আপু কই না বল্লে ওর কাছে না নিলে আমাকে আর পাবেন না আপনারা, মা বাধ্য হয়ে আমাকে নিয়ে এসেছে তোর কাছে। রিহ:ওহ আর এর জন্যই আমাকে পাঠিয়েদিয়েছিল ২ দিন আগেই বিদেশ থেকে সদ্বেশ।
রিতা: হ্যা রে আপু বাসায় চল তোকে যদি পড়ালেখা না করায় আমি ও করবোনা।
রিহা: এত ভালোবাসিস আমাকে
রিতা: তুই কি বুজবি। এসব। চল তো

জীবন থেকে অনেক কিছু শিখলাম এ দুরিয়ায় কে আপন কে পর বিবেচনা করা বড়ই কঠিন। রিতা তোকে আমি অনেক ভালোবাসি আমার লক্ষি বোন। বাস্তব কিন্তু আরো কঠিন এটাতো শুধু গল্প। গল্পে তো শুধু এটাই বুজালাম। আপন মানুষ হোক আর পর সততার সাথে সাহায্য একজনের জিবনে সফলতা আনে।

Share This:

jannatul

i love story writting
Close Menu

Content

Share This: