দেখা

রাত এখন প্রায় দেরটা বাজে, ছেলে কে নিয়ে রাস্তায় একা আর কতক্ষন হাটব,বুজতে পারছি না।ফোন করলাম ফাতেমা কে, ও বলল বেস্তু আছে। ফোন করলাম নিরব কে নিরব বলল বাসায় নাকি ও বউ আছে সমস্যা হবে। হতাস হয়ে পরলাম এত রাতে ছেলেকে নিয়ে কোথায় যাব বুজতে পারছি না। আর কোন উপায় না পেয়ে অধরা কে ফোন করলাম এত রাতে ও খুব বিরক্ত হয়ে বলল কি বলবি বল ওকে সব বুজিয়ে কোন রকমে রাজি করালাম আজ রাত টা ওর বাসায় থাকার জন্য। তারপর সকালে বেরিয়ে পরলাম আবার ছেলেকে নিয়ে বাসা খুজতে। তারপর একটা বাসা পেলাম, চাকরি খুজতে লাগলাম একটা চাকরি পেলাম, তারপর শুরু হল আমার ছেলেকে নিয়ে নতুন জীবন। এবার এই এত রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কারন বলছি। খুব ভালবাসতাম ওকে ও আমকে।ও টা হচ্চে আমার হাজবেন্ট মাসুম, ভালবেসে বিয়ে করি আমরা বাড়ির কেও রাজি ছিল না। পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করি। তারপর শুরু করি ভালবাসার ঘর, আমাদের সংসার খুব ভালো কাটছিল এর মাঝে জন্ম নিল ছোট্ট মাহিম, আস্তে আস্তে ভালোবাসা বাসা কমতে থাকে, মাসুম আমায় বলে ওর সাতে নাকি আমায় মানায় না, রাগ দেখায় ঝগড়া করে এমনকি গায়ে ও হাত তুলে ও।

আমি বুঝতে পারি ওর আমাকে আর ভালো লাগেনা। ওর ব্যবহার আমার শয্য হচ্ছিল না তাই সেদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ি মাহিম কে নিয়ে। আজ মাহিমের ২৭ বছর। পচমদ্দ করে বিয়ে করেছে। বড় চাকরি করে।আমি অনেক খুশি। ছেলে আর ছেলের বুউ কে নিয়ে। কিন্ত আমার এই সুখটা ও কপালে সইলনা, আমার ছেলে আমায় আজ আবার সেই ১৯ বছর আগের দিনে দার করিয়ে দিল। আমায় নাকি ওর বন্ধু -বান্ধব দের সামনে পরিচয় দিতে লজ্জা করে অই অপিসের সবাই নাকি হাসে আমায় নিয়ে আমার জেদিকে ২ চুক জায় চলে যেতাম, আজ কথায় যাব আমি। এটাই কি জীবন?

Share This:

jannatul

i love story writting
Close Menu

Content

Share This: