রিযিকের পেরেশানি দূর করার আমল

الرزاق 👈👈আর রাজ্জাকু

☝অর্থ : রিজিকদাতা

👇ফয়দা👇

১. সূর্য উদয়ের পর কেউ যদি নিয়মিত এই (আল্লাহর নাম)দোয়া ২০ বার পাঠ করে মহান আল্লাহ তাকে এমন মেধাশক্তি দান করবেন যাতে সে সুক্ষ্মদর্শী হবে এবং মুশকিল বিষয়সমূহ সহজে বুঝতে সক্ষম হবে।

২. যে ব্যক্তি নিজ ঘরের চার কোনায় ফজরের নামাযের আগে দশবার করে
👆এই (আল্লাহর নাম)দোয়া পাঠ করবে এবং ফুঁ দেবে, মহান আল্লাহ তার জন্য রিজিকের দরজা খুলে দিবেন। অসুস্থতা এবং দারিদ্র সেই ঘরে প্রবেশ করবেনা।
ঘরের ডান কোনা থেকে পাঠ করা শুরু করবে এবং করার সময় কেবলামুখী হবে।

৩. কেউ যদি ফজরের সুন্নত এবং ফরজের মাঝামাঝি সময়ে ৪১ দিন পর্যন্ত ৫৫০ বার এই 👆(আল্লাহর নাম) দোয়া পাঠ করে সে সম্পদশালী হবে।
তবে ফজরের নামায জামায়াতে আদায় করতে হবে এবং এই👆 নাম পাঠ শুরুর আগে ১১ বার এবং নাম পাঠ শেষে ১১ বার দরুদ শরীফ পাঠ করার শর্ত রয়েছে।

৪. যে ব্যক্তি এশার নামাযের পর খালি মাথায় ” ইয়া রাজ্জাকু তারজুকু মান তাশাউ ইয়া রাজ্জাকু” ১১ বার শুরুতে এবং শেষে ১১ বার দরুদ শরীফ সহ ৪১ দিন পাঠ করবে তার জন্য মহান আল্লাহ রিজিকের দ্বার উন্মোচন করে দেবেন।

৫. কেউ যদি প্রতিদিন ৫৪৫ বার এই☝(আল্লাহর নাম) দোয়া পাঠ করে তার রিজিকে প্রাচুর্য আসবে এবং কোন প্রকার কঠিন বিষয়ের সম্মুখীন তাকে হতে হবে না।
৬. কেই যদি প্রতিদিন নির্জনে এক হাজার বার এই☝(আল্লাহর নাম)দোয়া পাঠ করে ইনশাআল্লাহ বিশেষ রুহানী মর্যাদা লাভ করবে।

৭. প্রত্যেক নামাযের পর এই☝(আল্লাহর নাম)দোয়া পাঠ করার অভ্যাস গড়ে তুললে গায়েব থেকে রিজিক পাবে।
৮. কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তির সামনে এই☝(আল্লাহর নাম)দোয়া ১৭ বার পাঠ করা হলে ইনশাআল্লাহ অভাব দূর হয়ে যাবে।
৯. কেউ যদি কোন কয়েদীর মুক্তির আশায় একশ বার এই নাম পাঠ করে সেই কয়েদী মুক্তি লাভ করবে। যদি অসুস্থ ব্যক্তির উপর এই☝(আল্লাহর নাম)দোয়া ১০০ বার পাঠ করা হয় সেই অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ হয়ে যাবে।

Share This:
Close Menu

Content

Share This: